ফেসবুকে বাংলা মিমসের ব্যবহার: অর্থ উৎপাদন ও দর্শক-শ্রোতার ওপর প্রভাব বিশ্লেষণ
Keywords:
মিমস, ফেসবুক, যোগাযোগ, টেমপ্লেট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমAbstract
ফেসবুকে মিমসের ব্যবহার নিছক বিনোদনের জন্য হলেও, তা মানুষের মনের অব্যক্ত মনোভাব প্রকাশের পাটাতন হয়ে ওঠেছে। ভার্চুয়াল পরিসরে মিমস যে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদানে পরিণত হয়েছে, তা গুণগত পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করে এই গবেষণায় তুলে ধরা হয়েছে। কমপক্ষে লক্ষাধিক লাইক ও ফলোয়ারসমৃদ্ধ ফেসবুকের জনপ্রিয় ১০টি পেজ ও ৫০ হাজারের কাছাকাছি সদস্য সংখ্যার ফেসবুকের জনপ্রিয় ১০টি গ্রুপ থেকে ৫০টি মিমসকে নমুনা হিসেবে নিয়ে আধেয় বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মানুষের সাথে মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগে মিমস একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। গবেষণায় মিমসকে ১০টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ সাইটের ব্যস্ত সময়ের ভিড়ে অনেকে এখন অল্প কথায়, কোনো একটি ছবিকে বিবর্তন (টেমপ্লেট দিয়ে) করে সময়, পরিস্থিতি, ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট করে বার্তা আদান প্রদানে অভ্যস্ত হয়েছে ও হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ফেসবুকে মিমস কেবল জনপ্রিয় একটি যোগাযোগ উপাদানই নয়, মিমস এখন যোগাযোগের কার্যকর একটি উপকরণও। গবেষণায় উইলবার শ্র্যামের যোগাযোগ মডেলের আলোকে দেখানো হয়েছে, কীভাবে মিমস প্রেরক ও গ্রাহকের অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রের ওপর ভিত্তি করে বার্তা তৈরি ও প্রেরণ করে। একইসঙ্গে গবেষণাটি মিমসের মাধ্যমে সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বার্তাবহন ও অডিয়েন্সের মনোজগত ও আচরণে এর প্রভাবের দিকগুলো উন্মোচন করেছে।